Apps

Picture

বরগুনায় আলোচিত ও ক্লুলেস্ "খোকন হত্যা মামলা"র রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ০২

Picture

গত ইং ২৮/০৬/২০২২ তারিখ বরগুনা থানাধীন ০১ নং বদরখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ বদরখালী সাকিনের বাসিন্দা মোঃ খোকন খান (৩৫), পিতা- মৃত: জয়নাল খান মোটরসাইকেল নিয়ে নিজ বাড়ি হতে বের হওয়ার পরে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া না গেলে পরের দিন ২৯/৬/২০২২খ্রিঃ তার ভাই আ: খালেক বরগুনা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন। অফিসার ইনচার্জ, বরগুনা থানা উক্ত জিডির তদন্তভার এসআই(নিঃ) মোঃ মারুফ আহমেদের উপর অর্পণ করেন। জিডির তদন্তকালে এসআই(নিঃ) মারুফ আহমেদ নিখোঁজ ভিকটিমের ব্যবহৃত মোটর-সাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় গত ২৯/৬/২০২২ইং তারিখে বিষখালী খালের পাড় থেকে উদ্ধার করেন। পাশাপাশি ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ফলস্বরূপ গত ইং ০১/০৭/২০২২ তারিখ সকাল ১১:৫৫ ঘটিকায় বরগুনা থানাধীন বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা সাকিনস্থ আকনবাড়ির উত্তর পাশে বিষখালী খালের পাড়ে ভাসমান একটি বস্তা হইতে নিখোঁজ মোঃ খোকন খান (৩৫) এর লাশ উদ্ধার করেন। নিখোঁজ জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই(নিঃ) মারুফ আহমেদ লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করে, আলমত জব্দ করেন ও আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। উক্ত ঘটনাটি হত্যাকান্ড প্রতিয়মান হওয়ায় লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল, বরগুনার মর্গে প্রেরন করেন। এর পরপরই ভিকটিমের ভাই অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের আসামী করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ইতোমধ্যে ঘটনাটি সর্বত্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। তখন পুলিশ সুপার, বরগুনা মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় তদন্ত কাজের শুরু থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব এস এম তারেক রহমান ও বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মেহেদি হাছান আলোচিত ও ক্লুলেস খোকন হত্যা মামলাটির নিবিড় তদন্ত তদারকি করতে থাকেন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই(নিঃ) মারুফ আহমেদ মামলা রুজুর পর থেকেই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে উক্ত হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্তকাজ পরিচালনা করতে থাকেন।

অতঃপর গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আসামি মোঃ কনু মিয়া (৪০) কে গত ২৫/০৯/২০২২ ইং  চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা হতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ কনু মিয়া (৪০) কে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করলে সে খোকন খান এর হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ কনু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অপর আসামী রাসেল (২৫) কে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে আসামীর রিমান্ড প্রার্থণা করলে বিজ্ঞ আদালত আসামী মোঃ রাসেল (২৫) এর ০৩ (তিন) দিনের পুলিশ  রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঐ ঘটনার সাথে জড়িত অন্য পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।

 
Copyright © 2022 Superintendent of police, Barguna. Developed by ICT Section, Barguna Police.